বর্তমানে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কয়টি ২০২৬

২০২৬ সালে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে (ইসি) মোট নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ছিল ৫৯–৬০টি। তবে এর মধ্যে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত এবং পিডিপি, ফ্রিডম পার্টি ও ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে। ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫০টি নিবন্ধিত দল অংশ নেয়।

আপনি যদি জানতে চান বাংলাদেশে বর্তমানে কতটি রাজনৈতিক দল নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত, কোন দলের নিবন্ধন আছে বা নেই, এবং কীভাবে একটি দল নিবন্ধন পায় তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য।

২০২৪ সালে জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশে অনেক পরিবর্তন এসেছে। নতুন দল নিবন্ধিত হয়েছে, কোনো দলের নিবন্ধন স্থগিত হয়েছে, কোনোটি বাতিল হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের মনে এই প্রশ্নটি স্বাভাবিকভাবেই আসে এখন মোট কতটি দল নিবন্ধিত?

বাংলাদেশে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কয়টি? (২০২৬ সালের হালনাগাদ তথ্য)

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে মোট নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা হলো ৫৯ থেকে ৬০টি। তবে এই সংখ্যার মধ্যে কয়েকটি দলের নিবন্ধন স্থগিত বা বাতিল রয়েছে।

বিষয়তথ্য
মোট নিবন্ধিত দল (২০২৬)৫৯–৬০টি
নিবন্ধন স্থগিতআওয়ামী লীগ (১টি)
নিবন্ধন বাতিলপিডিপি, ফ্রিডম পার্টি, ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন (৩টি)
নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল (ফেব্রু. ২০২৬)৫০টি
প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া দল (তফসিলকালীন)৫১টি
নির্বাচনে অংশ নেয়নি৮–৯টি নিবন্ধিত দল
তথ্যসূত্রবাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ecs.gov.bd)

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মোট নিবন্ধিত সংখ্যা ও সক্রিয় বা নির্বাচনযোগ্য দলের সংখ্যা ভিন্ন। তাই অনেকে বিভ্রান্ত হন।

কোন দলগুলোর নিবন্ধন স্থগিত বা বাতিল হয়েছে?

আওয়ামী লীগ — নিবন্ধন স্থগিত

২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন দলটির নিবন্ধন স্থগিত এবং দলীয় প্রতীক (নৌকা) বাতিল করে। ফলে আওয়ামী লীগ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি।

নিবন্ধন বাতিল হওয়া দলগুলো

  • প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দল (পিডিপি)
  • ফ্রিডম পার্টি
  • ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন

এই তিনটি দলের নিবন্ধন সম্পূর্ণ বাতিল হওয়ায় এরা কোনো নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে অংশ নিতে পারবে না।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬: কোন দলগুলো অংশ নিয়েছিল?

১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ৫০টি রাজনৈতিক দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।

নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রধান দলসমূহ

  • বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল — বিএনপি (৭৫৩ আসনে প্রার্থী)
  • বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
  • জাতীয় নাগরিক পার্টি — এনসিপি (নাহিদ ইসলাম নেতৃত্বাধীন)
  • জাতীয় পার্টি (এরশাদ)
  • ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
  • খেলাফত মজলিস
  • বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন (প্রার্থী দেয়নি)
  • গণতন্ত্রী পার্টি এবং আরও অনেক ছোট দল

নিবন্ধিত কিন্তু নির্বাচনে অংশ নেয়নি এমন দল

৯টি নিবন্ধিত দল ত্রয়োদশ নির্বাচনে কোনো প্রার্থী মনোনীত করেনি। সেগুলো হলো:

  1. বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (মার্কসবাদী-লেনিনবাদী) — দিলীপ বড়ুয়া
  2. কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ — কাদের সিদ্দিকী
  3. বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ-মুজাফফর)
  4. বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি
  5. বিকল্পধারা বাংলাদেশ
  6. জাসদ — ইনু
  7. বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন
  8. তৃণমূল বিএনপি
  9. বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম)

নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিসংখ্যান

নির্বাচনী তথ্যপরিসংখ্যান
নির্বাচনের তারিখ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
অংশগ্রহণকারী দল৫০টি নিবন্ধিত দল
মোট প্রার্থী২,০২৮ জন
দলীয় প্রার্থী১,৭৫৫ জন
স্বতন্ত্র প্রার্থী২৭৩ জন
নারী প্রার্থী৮১ জন
ভোটকেন্দ্র৪২,৯৫৮টি
ভোট পড়েছে৬০.২৬%
বিএনপি আসন জয়২০৯টি
জামায়াত আসন জয়৬৮টি
এনসিপি আসন জয়৬টি

আগের নির্বাচনগুলোতে নিবন্ধিত দলের সংখ্যা কত ছিল?

বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন একটি ক্রমবর্ধমান প্রক্রিয়া। প্রতিটি নির্বাচনের আগে নতুন দল নিবন্ধন পায়, কেউ কেউ বাতিলও হয়।

নির্বাচননিবন্ধিত দলের সংখ্যা
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন (২০১৮)৩৯টি
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন (২০২৪)৪৪টি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন (২০২৬)৫৯–৬০টি

লক্ষণীয় যে, ২০২৬ সালের নির্বাচনে নিবন্ধিত দলের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তনের ফলে অনেক নতুন দল গঠিত হয়েছে এবং নিবন্ধন পেয়েছে।

কীভাবে একটি রাজনৈতিক দল নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন পায়?

বাংলাদেশে কোনো রাজনৈতিক দলকে দলীয় প্রতীকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে হলে অবশ্যই নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত হতে হবে। এই প্রক্রিয়াটি ‘রাজনৈতিক দলসমূহের নিবন্ধন আইন, ২০২০’ অনুযায়ী পরিচালিত হয়।

নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় শর্তসমূহ

  1. দলের একটি গঠনতন্ত্র থাকতে হবে যা গণতান্ত্রিক নীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
  2. কমপক্ষে ১/৩ জেলায় এবং ১০০টি উপজেলায় কার্যালয় বা কমিটি থাকতে হবে।
  3. দলে অন্তত ৩৩% নারী সদস্যপদের লক্ষ্যমাত্রা থাকতে হবে।
  4. দলের কার্যনির্বাহী কমিটিতে ৩৩% পদে নারীদের রাখার বিধান থাকতে হবে।
  5. দলের নাম, পতাকা ও প্রতীক অন্য কোনো নিবন্ধিত দলের মতো হওয়া যাবে না।
  6. দলের সদর দফতর বাংলাদেশে থাকতে হবে।
  7. দলটি গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা বা সংবিধান বিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না।

নিবন্ধন বাতিল বা স্থগিতের কারণ

  • দলীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলে
  • গঠনতন্ত্রের শর্ত লঙ্ঘন করলে
  • নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অমান্য করলে
  • টানা দুটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ না নিলে
  • ন্যূনতম ভোট না পেলে (নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে)

রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন কেন গুরুত্বপূর্ণ?

সাধারণ মানুষের কাছে এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি সরাসরি নির্বাচনে প্রার্থীর পরিচয় ও প্রতীকের সাথে সম্পর্কিত।

  • নিবন্ধিত দলের প্রার্থীরা দলীয় প্রতীকে ভোটে দাঁড়াতে পারেন — যা ভোটারদের চিনতে সুবিধা দেয়।
  • নিবন্ধনহীন দলের প্রার্থীরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিতে পারেন, কিন্তু দলীয় প্রতীক ব্যবহার করতে পারেন না।
  • নিবন্ধিত দলগুলোর আর্থিক হিসাব ও কার্যক্রম নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাবদিহিযোগ্য।
  • নিবন্ধন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে।

২০২৬ সালের রাজনৈতিক পরিবেশ: কী বদলেছে?

২০২৪ সালের আগস্টে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর থেকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক মানচিত্র অনেকটাই পরিবর্তিত হয়েছে।

প্রধান পরিবর্তনগুলো

  1. আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত ও দলীয় প্রতীক বাতিল।
  2. জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) — নতুন দল হিসেবে নিবন্ধন ও নির্বাচনে অংশগ্রহণ।
  3. জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন পুনর্বহাল এবং প্রার্থী দেওয়ার সুযোগ।
  4. অনেক নতুন দল গঠিত হয়ে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছে।
  5. মোট নিবন্ধিত দলের সংখ্যা ২০২৪ সালের তুলনায় ১৫–১৬টি বৃদ্ধি পেয়েছে।

ত্রয়োদশ নির্বাচনের ফলাফল সংক্ষেপে

১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনের পথে এগিয়েছে। জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসন পেয়েছে। নতুন দল এনসিপি ৬টি আসন পেয়েছে। এই নির্বাচনে মোট ৬০.২৬% ভোট পড়েছে।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

২০২৬ সালে বাংলাদেশে মোট নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কয়টি?

২০২৬ সালে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে মোট নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৫৯ থেকে ৬০টি। তবে এর মধ্যে ১টির নিবন্ধন স্থগিত এবং ৩টির নিবন্ধন বাতিল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫০টি দল অংশ নিয়েছে।

আওয়ামী লীগের নিবন্ধন কি বাতিল হয়ে গেছে?

না, আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল হয়নি স্থগিত করা হয়েছে। দলটির রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশন নিবন্ধন স্থগিত এবং দলীয় প্রতীক বাতিল করেছে।

নিবন্ধিত দল ছাড়া কি নির্বাচনে অংশ নেওয়া যায়?

হ্যাঁ, তবে শুধুমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে। দলীয় প্রতীক ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত হতে হবে।

দ্বাদশ ও ত্রয়োদশ নির্বাচনে নিবন্ধিত দলের পার্থক্য কত?

দ্বাদশ নির্বাচনে (২০২৪) নিবন্ধিত দল ছিল ৪৪টি। ত্রয়োদশ নির্বাচনে (২০২৬) তা বেড়ে ৫৯–৬০টি হয়েছে — অর্থাৎ প্রায় ১৫–১৬টি নতুন দল নিবন্ধন পেয়েছে।

বাংলাদেশে কি সবচেয়ে বেশি সংখ্যক দল নিবন্ধিত হয়েছে ২০২৬ সালে?

হ্যাঁ, ২০২৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের ইতিহাসে এটাই সর্বোচ্চ সংখ্যক নিবন্ধিত দলের রেকর্ড।

নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত দলের তালিকা কোথায় পাওয়া যাবে?

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www.ecs.gov.bd -এ ‘রাজনৈতিক দলসমূহ’ বিভাগে সর্বশেষ আপডেট করা তালিকা পাওয়া যায়।

নির্বাচন কমিশন কোথায় অবস্থিত?

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয় রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত। এটি একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, যার গঠন ও ক্ষমতা সংবিধানের ১১৮ থেকে ১২৬ অনুচ্ছেদে বর্ণিত।

ত্রয়োদশ নির্বাচনে কতজন প্রার্থী ছিলেন?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ২,০২৮ জন প্রার্থী ছিলেন। এর মধ্যে দলীয় প্রার্থী ১,৭৫৫ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন ২৭৩ জন।

বাংলাদেশে কতটি রাজনৈতিক দল আছে ২০২৫?

২০২৫ সালে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত দলের সংখ্যা ছিল প্রায় ৫৫–৫৯টি। ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগ পর্যন্ত নতুন দলগুলোর নিবন্ধন প্রক্রিয়া চলমান ছিল।

বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দল কয়টি?

বাংলাদেশে মূলত দুটি প্রধান জাতীয় দল রয়েছে — বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। তবে ২০২৬ সালের পরিপ্রেক্ষিতে জামায়াতে ইসলামী ও নতুন দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন কতটি দলকে নিবন্ধন দেয়?

নির্বাচন কমিশন আইনগত শর্ত পূরণ করলে যেকোনো দলকে নিবন্ধন দিতে পারে। তবে প্রতিটি আবেদন যাচাই-বাছাই করে অনুমোদন দেওয়া হয়। বর্তমান আইন অনুযায়ী দেশের ৩৩ শতাংশ জেলায় কার্যালয় থাকা বাধ্যতামূলক।

বাংলাদেশে নতুন দল গঠন করতে কী করতে হয়?

নতুন দল গঠন করতে প্রথমে দলের গঠনতন্ত্র, কমিটি ও কার্যালয়সহ নির্বাচন কমিশনে আবেদন করতে হয়। রাজনৈতিক দলসমূহের নিবন্ধন আইন, ২০২০ অনুযায়ী শর্ত পূরণ হলে কমিশন নিবন্ধন প্রদান করে।

শেষকথা

২০২৬ সালে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে মোট নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৫৯ থেকে ৬০টি। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত এবং পিডিপি, ফ্রিডম পার্টি ও ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের নিবন্ধন বাতিল।

ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫০টি নিবন্ধিত দল অংশ নিয়েছে, ৯টি নিবন্ধিত দল প্রার্থী দেয়নি। নির্বাচনে ৬০.২৬% ভোট পড়েছে এবং বিএনপি সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে।

যদি সর্বশেষ আপডেট জানতে চান, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট www.ecs.gov.bd ভিজিট করুন।

তথ্যসূত্র ও রেফারেন্স

  • বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি) — www.ecs.gov.bd
  • প্রথম আলো — ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সংক্রান্ত প্রতিবেদন (ফেব্রুয়ারি ২০২৬)
  • উইকিপিডিয়া বাংলা — ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০২৬
  • ইত্তেফাক — নির্বাচন কমিশনের সংবাদ সম্মেলন প্রতিবেদন (ডিসেম্বর ২০২৫)
  • একুশে টেলিভিশন অনলাইন — নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল সম্পর্কিত প্রতিবেদন

Leave a Comment