বৈশাখ মাসের অমাবস্যা কবে ২০২৬?
বৈশাখ মাসের অমাবস্যা: ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (শুক্রবার)
বাংলা তারিখ: ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তিথি শুরু: ১৬ এপ্রিল রাত ৮:১১ মিনিট (BST)
তিথি শেষ: ১৭ এপ্রিল বিকেল ৫:৫১ মিনিট (BST)
বিশেষত্ব: হিন্দু নববর্ষ (পহেলা বৈশাখ)-পরবর্তী প্রথম অমাবস্যা
প্রতি বছর বৈশাখ মাসের অমাবস্যা বাংলাদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তিথি। এই দিনে পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে তর্পণ, পূজা-অর্চনা ও বিভিন্ন ধর্মীয় আচার পালন করা হয়। অনেকেই জানতে চান — বৈশাখ মাসের অমাবস্যা কবে ২০২৬ এবং এর সঠিক সময়সূচি কী? এই আর্টিকেলে আমরা সেই প্রশ্নের সম্পূর্ণ ও যাচাইকৃত উত্তর দেব।
🌑
ইংরেজি তারিখ
১৭ এপ্রিল ২০২৬
শুক্রবার
📆
বাংলা তারিখ
৪ বৈশাখ ১৪৩৩
বঙ্গাব্দ
🕐
তিথি শুরু
রাত ৮:১১
১৬ এপ্রিল (BST)
🕔
তিথি শেষ
বিকেল ৫:৫১
১৭ এপ্রিল (BST)
বৈশাখ মাসের অমাবস্যা ২০২৬ বিস্তারিত সময়সূচি
২০২৬ সালে বৈশাখ মাসের অমাবস্যা পড়েছে ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (শুক্রবার), বাংলা ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ। এটি ছিল বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখের (১৪ এপ্রিল) ঠিক তিন দিন পরের অমাবস্যা, যা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ জানুন: হিন্দু ধর্মে উদয় তিথির নিয়ম অনুযায়ী, অমাবস্যা তিথি যদি ভোরবেলা সূর্যোদয়ের সময় বিদ্যমান থাকে, তাহলে সেই দিনটিকেই অমাবস্যার মূল দিন ধরা হয়। যেহেতু ১৭ এপ্রিল সূর্যোদয়ের সময় অমাবস্যা তিথি চলমান ছিল, তাই ১৭ এপ্রিলকেই বৈশাখ অমাবস্যার মূল দিন হিসেবে গণ্য করা হয়।
| বিষয় | তারিখ ও সময় (BST) | বিবরণ |
|---|---|---|
| তিথি শুরু | ১৬ এপ্রিল ২০২৬, রাত ৮:১১ | বৃহস্পতিবার রাতে |
| তিথি শেষ | ১৭ এপ্রিল ২০২৬, বিকেল ৫:৫১ | শুক্রবার বিকেলে |
| মূল পালনের দিন | ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (শুক্রবার) | উদয় তিথি অনুযায়ী |
| ব্রহ্ম মুহূর্ত (স্নানের জন্য) | ভোর ৪:২৫ — ৫:০৯ | সর্বোত্তম সময় |
| তর্পণের শুভ সময় | সকাল ১১:৫৫ — দুপুর ১২:৪৭ | মধ্যাহ্নে পিতৃ তর্পণ |
| বাংলা তারিখ | ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | — |
অমাবস্যা কী এবং কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?
অমাবস্যা হলো চাঁদের কলাচক্রের সেই বিশেষ তিথি যখন চাঁদ পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে অবস্থান করে এবং আকাশে সম্পূর্ণ অদৃশ্য থাকে। হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী প্রতি মাসে একটি করে অমাবস্যা আসে এবং প্রতিটি অমাবস্যারই আলাদা ধর্মীয় তাৎপর্য রয়েছে।
বৈশাখ অমাবস্যার বিশেষ তাৎপর্য
বৈশাখ অমাবস্যা বাংলা নববর্ষের একেবারে শুরুতে আসে, তাই এর ধর্মীয় গুরুত্ব বহুগুণ বেশি। এই দিনটিকে বিশেষভাবে পূর্বপুরুষদের স্মরণ ও তর্পণের জন্য উপযুক্ত বলে মনে করা হয়।
- পিতৃ তর্পণ: প্রয়াত পূর্বপুরুষদের আত্মার শান্তির জন্য জলদান করা হয়
- শ্রাদ্ধানুষ্ঠান: প্রিয়জনের মৃত্যুর পরে শ্রাদ্ধ পালনের বিশেষ দিন
- সূর্য পূজা: ভোরে নদী বা পুকুরে স্নান করে সূর্যদেবকে অর্ঘ্য দেওয়া
- দান-ধর্ম: গরিব-দুঃখীদের অন্ন, বস্ত্র ও অর্থ দান করা
- উপবাস: অনেক ভক্ত এই দিন নিরামিষ আহার বা উপবাস পালন করেন
- কালীপূজা: কালী মন্দিরে বিশেষ পূজার আয়োজন করা হয়
বৈশাখ অমাবস্যায় কী কী করবেন
বৈশাখ অমাবস্যার দিন কী করতে হবে তা অনেকেই জানতে চান। নিচে ধাপে ধাপে বলা হলো:
- ১ ভোরে স্নান করুন (ব্রহ্ম মুহূর্তে) ভোর ৪:২৫ থেকে ৫:০৯ মিনিটের মধ্যে নদী, পুকুর বা বাড়িতে পবিত্র স্নান করুন। স্নানের জলে তিল বা গঙ্গাজল মিশিয়ে নিতে পারেন।
- ২ সূর্যদেবকে অর্ঘ্য দিন সূর্যোদয়ের পর পূর্বমুখী হয়ে জলের পাত্র থেকে সূর্যদেবকে জল নিবেদন করুন এবং পূর্বপুরুষদের স্মরণ করুন।
- ৩ পিতৃ তর্পণ করুন (মধ্যাহ্নে) সকাল ১১:৫৫ থেকে দুপুর ১২:৪৭ মিনিটের মধ্যে তর্পণ করা সবচেয়ে শুভ। কালো তিল, জল ও কুশ ঘাস দিয়ে পিতৃপুরুষদের উদ্দেশ্যে তর্পণ দিন।
- ৪ দান-ধর্ম করুন সামর্থ্য অনুযায়ী চাল, ডাল, কালো তিল, বস্ত্র বা অর্থ দান করুন। অমাবস্যায় অন্নদান বিশেষ পুণ্যের কাজ।
- ৫ সাত্ত্বিক আহার করুন সারাদিন নিরামিষ ও সাত্ত্বিক খাবার গ্রহণ করুন। মাছ-মাংস এড়িয়ে চলুন।
- ৬ সন্ধ্যায় প্রদীপ জ্বালুন সন্ধ্যায় তুলসী গাছের কাছে বা পূজার ঘরে প্রদীপ জ্বালান এবং পূর্বপুরুষদের আত্মার শান্তির জন্য প্রার্থনা করুন।
২০২৬ সালের সকল অমাবস্যার তালিকা
বাংলাদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য ২০২৬ সালের সম্পূর্ণ অমাবস্যার তারিখের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
| ক্রম | ইংরেজি তারিখ | বাংলা মাস | বিশেষত্ব |
|---|---|---|---|
| ১ | ১৮ জানুয়ারি (রবিবার) | মাঘ অমাবস্যা | মৌনী অমাবস্যা |
| ২ | ১৭ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) | ফাল্গুন অমাবস্যা | — |
| ৩ | ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) | চৈত্র অমাবস্যা | পিতৃ তর্পণ বিশেষ দিন |
| ৪ | ১৭ এপ্রিল (শুক্রবার) | বৈশাখ অমাবস্যা ✦ | নববর্ষ পরবর্তী প্রথম অমাবস্যা |
| ৫ | ১৬ মে (শনিবার) | জ্যৈষ্ঠ অমাবস্যা | শনিশ্চরী অমাবস্যা |
| ৬ | ১৫ জুন (সোমবার) | আষাঢ় অমাবস্যা | সোমবতী অমাবস্যা |
| ৭ | ১৪ জুলাই (মঙ্গলবার) | শ্রাবণ অমাবস্যা | — |
| ৮ | ১২ আগস্ট (বুধবার) | ভাদ্র অমাবস্যা | — |
| ৯ | ১০ অক্টোবর (শনিবার) | আশ্বিন অমাবস্যা | মহালয়া — শনিশ্চরী অমাবস্যা |
| ১০ | ৮ নভেম্বর (রবিবার) | কার্তিক অমাবস্যা | দীপাবলি |
| ১১ | ৮ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) | অগ্রহায়ণ অমাবস্যা | — |
📌 বিশেষ তথ্য: ২০২৬ সালে অধিক মাস (পুরুষোত্তম মাস) থাকায় মোট ১৩টি অমাবস্যা পালিত হচ্ছে। প্রতি ৩২ মাস ৩ সপ্তাহ পর এই বিশেষ মাস আসে, যা সৌর ও চান্দ্র বর্ষের সমন্বয়ে তৈরি হয়।
বৈশাখ অমাবস্যায় পিতৃ তর্পণ কেন এবং কীভাবে?
বৈশাখ অমাবস্যায় পিতৃ তর্পণ হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় কার্য। পিতৃতর্পণ মানে হলো প্রয়াত পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে জল, তিল ও অর্ঘ্য নিবেদন করা।
পিতৃ তর্পণের জন্য কী কী লাগবে?
- কালো তিল (কালো রঙের)
- কুশ ঘাস (দর্ভঘাস)
- পরিষ্কার জল (নদী বা পুকুরের জল হলে উত্তম)
- একটি তামার পাত্র বা মাটির পাত্র
- সাদা বা হলুদ ধুতি পরা (পুরুষদের জন্য)
কোথায় তর্পণ করবেন?
বাংলাদেশে যারা তর্পণের জন্য নদী বা পুকুরে যেতে পারেন না, তারা বাড়ির ছাদে বা উঠোনে একটি বড় পাত্রে বিশুদ্ধ জল নিয়েও তর্পণ করতে পারেন। ঢাকার কাছাকাছি পোস্তগোলা শ্মশানঘাট, বুড়িগঙ্গা নদীর তীর, নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীর ঘাট — এই জায়গাগুলো তর্পণের জন্য উপযুক্ত।
অমাবস্যার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা
ধর্মীয় তাৎপর্যের পাশাপাশি অমাবস্যার একটি সুস্পষ্ট বৈজ্ঞানিক ভিত্তি রয়েছে। অমাবস্যার দিন চাঁদ সূর্যের একই দিকে থাকায় চাঁদের আলোকিত অংশ পৃথিবী থেকে দেখা যায় না। এ কারণে রাতের আকাশ সম্পূর্ণ অন্ধকার থাকে।
- জোয়ার-ভাটার প্রভাব: অমাবস্যায় সূর্য ও চাঁদ একই রেখায় থাকায় পৃথিবীতে সর্বোচ্চ মাধ্যাকর্ষণ টান তৈরি হয়, যার ফলে সমুদ্রে বড় জোয়ার হয়
- কৃষিতে গুরুত্ব: বাংলাদেশের কৃষকরা ঐতিহ্যগতভাবে অমাবস্যার চাঁদের চক্র অনুযায়ী বীজ বপন ও ফসল সংগ্রহের পরিকল্পনা করেন
- মানসিক প্রভাব: গবেষণায় দেখা গেছে চাঁদের পর্যায়ক্রম মানুষের ঘুম ও মানসিক অবস্থাকে প্রভাবিত করতে পারে
সচরাচর জিজ্ঞাসা
বৈশাখ মাসের অমাবস্যা কবে ২০২৬?
২০২৬ সালে বৈশাখ মাসের অমাবস্যা পড়েছে ১৭ এপ্রিল ২০২৬, শুক্রবার। বাংলা তারিখ: ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ। তিথি শুরু হয় ১৬ এপ্রিল রাত ৮:১১ মিনিটে এবং শেষ হয় ১৭ এপ্রিল বিকেল ৫:৫১ মিনিটে (BST)।
এপ্রিল মাসের অমাবস্যা কবে ২০২৬?
এপ্রিল মাসের অমাবস্যা হলো ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (শুক্রবার)। এটিই বৈশাখ মাসের অমাবস্যা, কারণ বাংলা বৈশাখ মাস ইংরেজি এপ্রিল-মে মাসে পড়ে।
বৈশাখ অমাবস্যায় কী করা উচিত?
বৈশাখ অমাবস্যায় ভোরে স্নান করে সূর্যদেবকে অর্ঘ্য দিন, পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে তর্পণ করুন, দরিদ্রদের দান করুন, সারাদিন নিরামিষ খাবার খান এবং সন্ধ্যায় প্রদীপ জ্বালান।
২০২৬ সালে মোট কতটি অমাবস্যা আছে?
২০২৬ সালে অধিক মাসের কারণে মোট ১৩টি অমাবস্যা পালিত হচ্ছে। সাধারণ বছরে ১২টি অমাবস্যা হয়, কিন্তু অধিক মাস বা পুরুষোত্তম মাস থাকায় এ বছর একটি অতিরিক্ত অমাবস্যা রয়েছে।
বৈশাখ অমাবস্যায় তর্পণ করা কি বাধ্যতামূলক?
হিন্দু ধর্মশাস্ত্র অনুযায়ী প্রতিটি অমাবস্যায় পিতৃ তর্পণ করা বিশেষ পুণ্যের কাজ। তবে এটি বাধ্যতামূলক নয়। যারা পারেন তারা করেন, যারা কোনো কারণে পারেন না তারা পরবর্তী অমাবস্যায় করতে পারেন।
বৈশাখ মাসের অমাবস্যা কত তারিখে ২০২৬?
বৈশাখ মাসের অমাবস্যা ২০২৬ সালে ১৭ এপ্রিল (শুক্রবার) পড়েছে। বাংলা তারিখ হলো ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
পহেলা বৈশাখের কতদিন পরে অমাবস্যা?
২০২৬ সালে পহেলা বৈশাখ ছিল ১৪ এপ্রিল (মঙ্গলবার) এবং বৈশাখ অমাবস্যা পড়েছে ১৭ এপ্রিল (শুক্রবার) — অর্থাৎ নববর্ষের মাত্র ৩ দিন পরে।
বৈশাখ অমাবস্যায় কোন মন্দিরে পূজা দেওয়া ভালো?
বৈশাখ অমাবস্যায় কালী মন্দির, শিব মন্দির এবং স্থানীয় পারিবারিক উপাস্য দেবতার মন্দিরে পূজা দেওয়া বিশেষ শুভ। ঢাকার ঢাকেশ্বরী মন্দির, রামকৃষ্ণ মিশন এবং নারায়ণগঞ্জের লাঙ্গলবন্দ শ্মশানঘাটও পরিচিত।
অমাবস্যার রাতে কী করা উচিত নয়?
অমাবস্যার রাতে মাংস ও মাছ না খাওয়া, মদ্যপান না করা, দেরিতে না ঘুমানো এবং অশুভ কাজ এড়িয়ে চলা উচিত। অনেকে এই রাতে বাইরে একা না যাওয়ার পরামর্শ দেন।
বৈশাখ অমাবস্যায় ব্যবসা বা নতুন কাজ শুরু করা কি ভালো?
হিন্দু জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী অমাবস্যায় সাধারণত নতুন ব্যবসা বা কাজ শুরু করা শুভ নয়। তবে বৈশাখ মাস নতুন বছরের প্রথম মাস হওয়ায় পূজা-অর্চনার মাধ্যমে মঙ্গলকামনা করা যেতে পারে।
বৈশাখ অমাবস্যায় বিবাহ দেওয়া যাবে কি?
না। অমাবস্যায় বিবাহ, উপনয়ন বা অন্য কোনো মাঙ্গলিক অনুষ্ঠান করা শুভ নয় বলে হিন্দু শাস্ত্রে উল্লেখ আছে। এই দিনটি পূর্বপুরুষ স্মরণ ও পিতৃকার্যের জন্য নির্ধারিত।
বৈশাখ অমাবস্যায় স্নানের জন্য কোন নদীতে যাওয়া উত্তম?
বাংলাদেশে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা বা যেকোনো পবিত্র নদীতে স্নান করা শুভ। ঢাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে পোস্তগোলা ঘাট এবং নারায়ণগঞ্জে লাঙ্গলবন্দ ঘাটে অনেকে এই দিনে স্নান করতে যান।
অমাবস্যা ও পূর্ণিমার মধ্যে পার্থক্য কী?
অমাবস্যায় চাঁদ সম্পূর্ণ অদৃশ্য থাকে (কৃষ্ণপক্ষের শেষ), আর পূর্ণিমায় চাঁদ সম্পূর্ণ দৃশ্যমান থাকে (শুক্লপক্ষের শেষ)। দুটোই হিন্দু ধর্মে পবিত্র তিথি, তবে ভিন্ন ধর্মীয় কাজের জন্য।
📚 তথ্যসূত্র ও রেফারেন্স
- বাংলা কথন (banglakathan.com) — অমাবস্যা ২০২৬ বাংলাদেশ তালিকা
- Drik Panchang — Bengali Calendar 2026 Panjika (drikpanchang.com)
- ProKerala Bengali Calendar — April 2026 (prokerala.com)
- Machinnamasta.in — বৈশাখ অমাবস্যা ২০২৬ সময়সূচি
- Bangladesh Date Today — বাংলা ক্যালেন্ডার ১৪৩৩ (bangladatetoday.com)
- বাংলাদেশ প্রতিদিন — ১৭ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ যাচাই
এই আর্টিকেলটি বাংলাদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঠিক ও যাচাইকৃত ধর্মীয় তথ্য সরবরাহের উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। সকল তারিখ ও সময় বাংলাদেশ মান সময় (BST, UTC+6) অনুযায়ী একাধিক নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে যাচাই করা হয়েছে।
“I’m Md Parvez Hossen, a professional blogger and SEO expert living in the USA. As the driving force behind BDTopNews.Com, I’m dedicated to delivering highly relevant, accurate, and authoritative content. My goal is to ensure readers always find the reliable information they need.