সংক্ষেপে উত্তর
২০২৭ সালে আরাফার দিন (৯ জিলহজ) হতে পারে ১৫ বা ১৬ মে। সৌদি আরবে হাজিরা যেদিন আরাফার ময়দানে অবস্থান করবেন, সে দিনটি সম্ভাব্য ১৫ মে। আর বাংলাদেশের চাঁদ অনুযায়ী ৯ জিলহজ সম্ভাব্য ১৬ মে। আরাফার রোজা হাজি নন এমন ব্যক্তির জন্য সুন্নত, এবং এতে দুই বছরের গুনাহ মাফের সুসংবাদ রয়েছে।
আরাফার রোজার ফজিলত
আবু কাতাদা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি ﷺ বলেছেন: “আরাফার দিনের রোজার ব্যাপারে আমি আল্লাহর কাছে আশা করি, তা আগের এক বছর ও পরের এক বছরের গুনাহের কাফফারা হবে।” (সহিহ মুসলিম: ১১৬২)
সৌদির দিন নাকি বাংলাদেশের দিন?
এই প্রশ্নে আলেমদের দুটি মত আছে:
| মত | যুক্তি | ২০২৭ সালে সম্ভাব্য দিন |
|---|---|---|
| সৌদি আরবের আরাফার দিন অনুযায়ী | হাদিসে “আরাফার দিন” বলা হয়েছে, আর আরাফার অবস্থান একটি নির্দিষ্ট দিনেই হয় | ১৫ মে ২০২৭ |
| নিজ দেশের ৯ জিলহজ অনুযায়ী | রোজাসহ সব ইবাদত স্থানীয় চাঁদের হিসাবে হয় | ১৬ মে ২০২৭ |
বাংলাদেশের অনেক আলেম স্থানীয় ৯ জিলহজে রোজা রাখার পক্ষে মত দেন, আবার অনেকে সৌদির দিনকে প্রাধান্য দেন। কেউ কেউ সতর্কতা হিসেবে দুই দিনই রোজা রাখেন, কারণ জিলহজের প্রথম ৯ দিন রোজা রাখাও ফজিলতপূর্ণ। আপনার এলাকার নির্ভরযোগ্য আলেমের পরামর্শ অনুযায়ী আমল করুন।
আরাফার দিনের দোয়া
নবীজি ﷺ বলেছেন, সর্বোত্তম দোয়া আরাফার দিনের দোয়া। আর আমি ও আমার আগের নবীরা যা বলেছি, তার মধ্যে সর্বোত্তম হলো (সুনানে তিরমিজি: ৩৫৮৫):
لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির।
অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি এক, তাঁর কোনো শরিক নেই। রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসাও তাঁরই, আর তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান।
আরাফার দিনে আর যা করবেন
- ফজর থেকে তাকবিরে তাশরিক শুরু করা। প্রতি ফরজ নামাজের পর একবার পড়তে হয়, ১৩ জিলহজ আসর পর্যন্ত।
- বেশি বেশি ইস্তেগফার ও দোয়া করা। এই দিনে আল্লাহ সবচেয়ে বেশি বান্দাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন (সহিহ মুসলিম)।
- রাগ, গিবত ও বাজে কথা থেকে বিরত থাকা।
তাকবিরে তাশরিক
আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
না। আরাফার ময়দানে অবস্থানরত হাজিদের জন্য রোজা না রাখাই সুন্নত, যাতে তারা ইবাদতে শক্তি পান।
মনে মনে “আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আরাফার নফল রোজা রাখছি” এই সংকল্পই যথেষ্ট। সেহরি খাওয়া সুন্নত।
আরও পড়ুন: ঈদুল আযহা ২০২৭ কত তারিখে
“I’m Md Parvez Hossen, a professional blogger and SEO expert living in the USA. As the driving force behind BDTopNews.Com, I’m dedicated to delivering highly relevant, accurate, and authoritative content. My goal is to ensure readers always find the reliable information they need.