কুরবানির ঈদ ২০২৬ বাংলাদেশে কবে?
জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বাংলাদেশে কুরবানির ঈদ বা ঈদুল আযহা সম্ভাব্য ২৭ মে (বুধবার) অথবা ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) পালিত হবে। এটি হিজরি ক্যালেন্ডারের ১০ জিলহজ ১৪৪৭। চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করবে বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।
প্রতি বছর ঈদুল আযহার আগে বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের মাথায় একটাই প্রশ্ন আসে কুরবানির ঈদ কবে? ছুটি কতদিন? পশুর দাম কেমন হবে? কুরবানির নিয়ম কী?
এই আর্টিকেলে সেসব প্রশ্নের সহজ, তথ্যভিত্তিক ও আপডেটেড উত্তর একসাথে পাবেন। আপনি যদি আগে থেকে পরিকল্পনা করতে চান পশু কেনা, ট্রেনের টিকিট বুকিং বা পরিবারকে নিয়ে গ্রামে যাওয়ার প্রস্তুতি এই গাইডটি আপনার কাজে লাগবে।
কুরবানির ঈদ ২০২৬ কত তারিখে?
ইসলামিক চান্দ্র বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ঈদুল আযহা প্রতি বছর জিলহজ মাসের ১০ তারিখে পালিত হয়। চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে তারিখ নির্ধারিত হয় বলে আগে থেকে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। তবে জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব মোতাবেক:
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| সম্ভাব্য তারিখ (বাংলাদেশ) | ২৭ মে ২০২৬ (বুধবার) অথবা ২৮ মে ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) |
| হিজরি তারিখ | ১০ জিলহজ ১৪৪৭ |
| সৌদি আরবে সম্ভাব্য তারিখ | ২৬ মে ২০২৬ বা ২৭ মে ২০২৬ |
| আরাফাতের দিন (বাংলাদেশ) | ঈদের আগের দিন (সম্ভাব্য ২৬ বা ২৭ মে) |
| চূড়ান্ত ঘোষণা | ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ |
গুরুত্বপূর্ণ নোট: সৌদি আরবে চাঁদ দেখা যায় সাধারণত বাংলাদেশের একদিন আগে। তাই সৌদিতে ২৬ মে ঈদ হলে বাংলাদেশে সম্ভাব্যভাবে ২৭ মে পালিত হবে। চূড়ান্ত ঘোষণার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইট islamicfoundation.gov.bd ফলো করুন।
কুরবানির ঈদ ২০২৬-এ কতদিন সরকারি ছুটি?
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন (৯ নভেম্বর ২০২৫) অনুযায়ী, ২০২৬ সালে ঈদুল আযহায় মোট ৬ দিনের সরকারি ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে।
সম্ভাব্য ছুটির তালিকা (যদি ঈদ ২৭ মে হয়):
| তারিখ | দিন | বিবরণ |
|---|---|---|
| ২৬ মে | মঙ্গলবার | ঈদের আগের দিন (সরকারি ছুটি) |
| ২৭ মে | বুধবার | ঈদুল আযহা (সম্ভাব্য) |
| ২৮ মে | বৃহস্পতিবার | ঈদের পরের দিন |
| ২৯ মে | শুক্রবার | সাপ্তাহিক ছুটি |
| ৩০ মে | শনিবার | সাপ্তাহিক ছুটি |
| ৩১ মে | রবিবার | নির্বাহী আদেশে ছুটি |
বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য: বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী সকল শ্রমিক-কর্মচারী ঈদুল আযহায় ছুটি পাওয়ার অধিকারী। তবে দিনের সংখ্যা নিয়োগকর্তার নীতি অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।
ঈদুল আযহা বা কুরবানির ঈদ কী এবং কেন পালন করা হয়?
ঈদুল আযহা আরবি শব্দ। এর অর্থ হলো ‘ত্যাগের উৎসব’। ইসলামের ইতিহাসে হযরত ইবরাহিম (আ.) আল্লাহর নির্দেশে প্রিয় পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.)-কে কুরবানি দিতে উদ্যত হলে আল্লাহ তাঁর এই আনুগত্য ও ত্যাগকে কবুল করেন। সেই ঘটনার স্মরণেই প্রতি বছর বিশ্বের মুসলিমরা পশু কুরবানি দেন।
হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী জিলহজ মাসের ১০ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত ৩ দিন কুরবানির সময়। ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার মধ্যে ব্যবধান থাকে প্রায় ৭০ দিন।
কুরবানির নিয়ম ও শর্তসমূহ
কার উপর কুরবানি ওয়াজিব?
- প্রাপ্তবয়স্ক (বালেগ), সুস্থ, মুকিম মুসলিম
- যার কাছে নিসাব পরিমাণ সম্পদ আছে (সাড়ে সাত তোলা সোনা বা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপার মূল্য সমপরিমাণ)
- যাকাত প্রদানে সক্ষম ব্যক্তির মতোই কুরবানির হিসাব
কুরবানির পশু ও বয়সসীমা
- ছাগল / ভেড়া / দুম্বা: কমপক্ষে ১ বছর বয়স — ১ ব্যক্তির পক্ষ থেকে
- গরু / মহিষ: কমপক্ষে ২ বছর বয়স — সর্বোচ্চ ৭ জন অংশীদার হতে পারেন
- উট: কমপক্ষে ৫ বছর বয়স — সর্বোচ্চ ৭ জন অংশীদার
পশু নির্বাচনে যা দেখবেন
- পশু সুস্থ ও নিখুঁত হতে হবে
- অন্ধ, খোঁড়া বা অতিরিক্ত দুর্বল পশু কুরবানিযোগ্য নয়
- সিং ভাঙা হলেও চলবে, তবে কান কাটা বা লেজ কাটা পশু দিয়ে কুরবানি হবে না
কুরবানির মাংস বণ্টনের নিয়ম
মাংস সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা মুস্তাহাব:
১. এক ভাগ নিজের পরিবারের জন্য ২. এক ভাগ আত্মীয়-স্বজনের জন্য ৩. এক ভাগ গরিব-মিসকিনদের জন্য
তবে মাংস বিতরণের কোনো নির্দিষ্ট বাধ্যবাধকতা নেই। কুরবানির মূল উদ্দেশ্য — পশু জবাই করা — এতেই আদায় হয়ে যায়।
কুরবানির পশুর দাম ২০২৬ কেমন হতে পারে?
২০২৬ সালে কুরবানির পশুর দাম নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো পরিসংখ্যান প্রকাশ পায়নি। তবে গত কয়েক বছরের ট্রেন্ড ও বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে একটা ধারণা পাওয়া সম্ভব।
গত বছরের (২০২৫) বাজার দর থেকে ধারণা
২০২৫ সালে ঢাকার গাবতলী হাটে:
- ছোট গরু (২–২.৫ মণ): ৮০,০০০ – ৯০,০০০ টাকা
- মাঝারি গরু (৩–৪ মণ): ১,২০,০০০ – ১,৮০,০০০ টাকা
- বড় গরু (৫ মণের উপর): ২,৫০,০০০ টাকার বেশি
- ছাগল: ১৫,০০০ – ৩৫,০০০ টাকা (আকার ও ওজন অনুযায়ী)
২০২৬ সালে দাম কেমন হতে পারে?
- গবাদিপশুর খাবারের দাম আগের তুলনায় বেশি থাকায় পালনের খরচ বেড়েছে
- মূল্যস্ফীতির প্রভাবে পশুর দামও কিছুটা বেশি হতে পারে
- তবে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, দেশে চাহিদার চেয়ে বেশি কুরবানিযোগ্য পশু মজুদ থাকে প্রতি বছর
টিপস: ঈদের ৩–৪ সপ্তাহ আগে হাটে গেলে দাম কম পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। শেষ মুহূর্তে কেনা সবচেয়ে বেশি দামের সময়।
কুরবানির পশুর চামড়া কী করবেন?
গত বছর (২০২৫) সরকার কুরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করেছিল:
- গরুর চামড়া (ঢাকায়): প্রতি বর্গফুট ৬০–৬৫ টাকা (লবণযুক্ত)
- গরুর চামড়া (ঢাকার বাইরে): প্রতি বর্গফুট ৫৫–৬০ টাকা
- খাসির চামড়া: প্রতি বর্গফুট ২২–২৭ টাকা
- বকরির চামড়া: প্রতি বর্গফুট ২০–২২ টাকা
২০২৬ সালের চামড়ার দাম ঈদের আগে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবে।
চামড়া বিক্রির টাকা মসজিদ, মাদ্রাসা বা গরিবদের দান করার নির্দেশনা রয়েছে। চামড়া যেন নষ্ট না হয় সেজন্য দ্রুত লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করুন।
কুরবানির ঈদের দিন কী কী করতে হয়?
ঈদুল আযহার দিন সকাল থেকে শুরু করে নিচের কাজগুলো ধারাবাহিকভাবে করা সুন্নত:
ধাপ ১ — ঘুম থেকে উঠে গোসল করুন
ঈদের দিন গোসল করা সুন্নত।
ধাপ ২ — নতুন বা পরিষ্কার পোশাক পরুন
সুন্দর পোশাক পরে ঈদের আনন্দ উপভোগ করুন।
ধাপ ৩ — ঈদগাহে যাওয়ার আগে কিছু না খাওয়া উত্তম
ঈদুল ফিতরে আগে খাওয়া সুন্নত, কিন্তু ঈদুল আযহায় কুরবানির আগে না খাওয়া উত্তম।
ধাপ ৪ — ঈদের নামাজ আদায় করুন
দুই রাকাত ঈদুল আযহার নামাজ — পুরুষদের জন্য ওয়াজিব। নামাজের পর ইমামের খুতবা মনোযোগ দিয়ে শুনুন।
ধাপ ৫ — কুরবানি করুন
নামাজের পর সুবিধামতো সময়ে পশু কুরবানি দিন। নিজে করতে না পারলে অভিজ্ঞ কাউকে দিয়ে করান। জবাইয়ের সময় বলুন:
“বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার”
ধাপ ৬ — মাংস বণ্টন করুন
তিন ভাগে ভাগ করুন — নিজের জন্য, আত্মীয়দের জন্য এবং গরিবদের জন্য।
ধাপ ৭ — পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করুন
কুরবানির বর্জ্য নির্ধারিত জায়গায় ফেলুন। পরিবেশ নষ্ট করবেন না।
ঈদের প্রস্তুতি এখন থেকে যা করবেন
ঈদুল আযহা ২০২৬ মে মাসের শেষ সপ্তাহে। আগে থেকে পরিকল্পনা করলে ঝামেলা কম হয়। নিচে একটা কার্যকরী প্রস্তুতি তালিকা দেওয়া হলো:
১ মাস আগে (এপ্রিল মাসে)
- ট্রেন, লঞ্চ বা বাসের টিকিট বুক করুন (ঈদের টিকিট দ্রুত শেষ হয়ে যায়)
- কুরবানির বাজেট নির্ধারণ করুন
- পরিবারের সাথে পরিকল্পনা করুন কে কোথায় যাবেন
২–৩ সপ্তাহ আগে (মে মাসের শুরুতে)
- কুরবানির পশু খোঁজা শুরু করুন
- সম্ভব হলে বিশ্বস্ত খামারি বা পরিচিত ব্যক্তির কাছ থেকে আগেভাগে ঠিক করুন
- অনলাইন হাট বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে খোঁজ নিন
ঈদের ১ সপ্তাহ আগে
- পশু হাট থেকে কেনার পরিকল্পনা করুন
- কুরবানির সরঞ্জাম (ছুরি, দড়ি ইত্যাদি) প্রস্তুত রাখুন
- ইসলামিক ফাউন্ডেশনের চাঁদ দেখার ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করুন
ঈদের আগের দিন
- পশু জবাইয়ের স্থান পরিষ্কার করুন
- পরিবারকে মাংস বণ্টনের পরিকল্পনা জানান
- আত্মীয়দের শুভেচ্ছা জানান
সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞেস করা প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন ১: কুরবানির ঈদ ২০২৬ কত তারিখে বাংলাদেশে?
জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে ঈদুল আযহা ২০২৬ সম্ভাব্যভাবে ২৭ মে (বুধবার) বা ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) পালিত হবে। চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে এক দিন এদিক-ওদিক হতে পারে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ঘোষণাই চূড়ান্ত।
প্রশ্ন ২: ২০২৬ সালের কুরবানির ঈদে সরকারি ছুটি কত দিন?
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ঈদুল আযহায় মোট ৬ দিনের সরকারি ছুটি রয়েছে। সম্ভাব্য ছুটির তারিখ ২৬ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত।
প্রশ্ন ৩: কুরবানি কার উপর ওয়াজিব?
যে মুসলিম প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ এবং নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক, তার উপর কুরবানি ওয়াজিব। এটি শুধু পুরুষের জন্য নয়, নারীর জন্যও প্রযোজ্য।
প্রশ্ন ৪: গরু কুরবানিতে কতজন অংশ নিতে পারবেন?
একটি গরু বা মহিষে সর্বোচ্চ ৭ জন অংশীদার হতে পারেন। প্রত্যেকের নিয়ত বিশুদ্ধ ও আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হতে হবে।
প্রশ্ন ৫: কুরবানির ছাগলের বয়স কত হতে হবে?
ছাগলের বয়স কমপক্ষে ১ বছর হতে হবে। গরু ও মহিষের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ২ বছর এবং উটের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৫ বছর।
প্রশ্ন ৬: কুরবানির মাংস কতটুকু নিজে রাখতে পারব?
মাংস তিন ভাগে ভাগ করা মুস্তাহাব — এক ভাগ নিজের জন্য, এক ভাগ আত্মীয়দের জন্য, এক ভাগ গরিবদের জন্য। তবে পুরোটা নিজে রাখা বা সবটা বিতরণ করাও জায়েজ।
প্রশ্ন ৭: ঈদুল আযহা ও ঈদুল ফিতরের মধ্যে পার্থক্য কী?
ঈদুল ফিতর পালিত হয় রমজানের শেষে — এটি রোজার পুরস্কারের ঈদ। ঈদুল আযহা পালিত হয় জিলহজের ১০ তারিখে — এটি ত্যাগের ঈদ বা কুরবানির ঈদ। দুটির মধ্যে সময়ের ব্যবধান প্রায় ৭০ দিন।
প্রশ্ন ৮: আরাফাতের দিনে রোজা রাখলে কী ফজিলত পাওয়া যায়?
ঈদুল আযহার আগের দিন অর্থাৎ ৯ জিলহজ (আরাফাতের দিন) রোজা রাখলে দুই বছরের গোনাহ মাফ হওয়ার আশা করা যায় বলে হাদিসে বর্ণিত আছে (সহিহ মুসলিম)। এই দিনের রোজা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ।
প্রশ্ন ৯: ঈদের তারিখ নিশ্চিত কোথায় জানব?
বাংলাদেশে চাঁদ দেখার সরকারি ঘোষণার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের ওয়েবসাইট (islamicfoundation.gov.bd), বাংলাদেশ টেলিভিশন (BTV) ও বাংলাদেশ বেতার অনুসরণ করুন।
প্রশ্ন ১০: কুরবানির পশু হাট ঢাকায় কোথায় বসে?
ঢাকায় প্রধান স্থায়ী পশুর হাট হলো গাবতলী ও সারুলিয়া। এর বাইরে ঈদের কয়েক দিন আগে থেকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় মোট ১৯টি অস্থায়ী হাট বসার ব্যবস্থা থাকে।
ঈদুল আযহার সামাজিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব
শুধু ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, কুরবানির ঈদ বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সমাজে বিশাল প্রভাব ফেলে।
অর্থনৈতিক দিক:
- প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার পশু কেনাবেচা হয়
- চামড়া শিল্প, কসাই, পরিবহন খাতে বিপুল আয় হয়
- খামারি ও পশু ব্যবসায়ীদের বড় উপার্জনের মৌসুম
সামাজিক দিক:
- ধনী-গরিব নির্বিশেষে মাংসের ভাগাভাগি হয়
- পরিবার, আত্মীয়-স্বজন একত্রিত হয়
- সমাজে সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ বাড়ে
তথ্যসূত্র
এই আর্টিকেলটি ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এবং উইকিপিডিয়ার ঈদুল আযহা নিবন্ধের তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি।
বিশ্বাসযোগ্য সূত্র:
- ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ — islamicfoundation.gov.bd
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় — mopa.gov.bd
- প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর — dls.portal.gov.bd
- বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) — bssnews.net
- সহিহ মুসলিম (আরাফাতের রোজার ফজিলত)
সর্বশেষ আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০২৬
দ্রষ্টব্য: ঈদুল আযহার চূড়ান্ত তারিখ চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগ পর্যন্ত এখানে উল্লেখিত তারিখ সম্ভাব্য হিসেবে বিবেচনা করুন। ঈদ মোবারক!
আমি একজন জার্নালিস্ট। আমি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জার্নালিজমে স্নাতক পাশ করেছি। বর্তমানে জাতীয় পত্রিকায় ফুল টাইম কাজ করছি। পাশাপাশি আমার নিজের নিউজ পোর্টাল BDTOPNEWS এ সময় দেই।