২০২৬ সালের চৈত্র অমাবস্যা শুরু হয়েছে ১৮ মার্চ ২০২৬ (বুধবার) সকাল ৮:৫৫ মিনিটে এবং শেষ হয়েছে ১৯ মার্চ ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) সকাল ৭:২২ মিনিটে (বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড টাইম)। হিন্দু উদয়তিথি অনুসারে মূল পালনের দিন: ১৯ মার্চ ২০২৬। এই দিনটি পূর্বপুরুষদের আত্মার শান্তি কামনায় তর্পণ, স্নান ও দানের জন্য অত্যন্ত পবিত্র।
চৈত্র অমাবস্যা কী এবং কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?
চৈত্র অমাবস্যা হলো হিন্দু পঞ্জিকার প্রথম মাস চৈত্রের কৃষ্ণপক্ষের শেষ তিথি অর্থাৎ সেই রাত যখন আকাশে চাঁদ থাকে না। জ্যোতির্বিদ্যার ভাষায় বললে, এই দিনে চাঁদ ও সূর্য পৃথিবীর একই পাশে থাকে এবং চাঁদ সূর্যের আলোর বিপরীত দিক থেকে দেখা যায় না।
সনাতন হিন্দু ধর্মে বছরের বারোটি অমাবস্যার মধ্যে চৈত্র অমাবস্যার আলাদা একটা মর্যাদা আছে। কারণটা সহজ চৈত্র মাস হলো হিন্দু বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস। তাই এই মাসের অমাবস্যা মানে একটি চক্রের শেষ এবং নতুন বছরের দোরগোড়া। এই দিনে পূর্বপুরুষদের স্মরণ করা, তাদের আত্মার শান্তির জন্য প্রার্থনা করা এবং নিজেকে আত্মশুদ্ধি করার সুযোগ পাওয়া যায়।
বাংলাদেশের লক্ষাধিক সনাতনী পরিবার প্রতিবছর এই দিনটি ভক্তিভরে পালন করেন। কেউ কেউ পুকুর বা নদীতে স্নান করেন, কেউ পিতৃতর্পণ দেন, কেউ মন্দিরে যান সবার লক্ষ্য একটাই: পূর্বপুরুষদের আশীর্বাদ পাওয়া এবং নতুন বছরটি শুভভাবে শুরু করা।
চৈত্র অমাবস্যা ২০২৬: সঠিক তারিখ ও সময়সূচি
নিচের তালিকায় বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড টাইম (BST) অনুযায়ী সময়সূচি দেওয়া হলো:
| তিথির নাম | চৈত্র অমাবস্যা ২০২৬ |
| অমাবস্যা শুরু | ১৮ মার্চ ২০২৬ (বুধবার) — সকাল ৮:৫৫ মিনিট (BST) |
| অমাবস্যা শেষ | ১৯ মার্চ ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) — সকাল ৭:২২ মিনিট (BST) |
| মূল পালনের দিন | ১৯ মার্চ ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) |
| পিতৃ তর্পণের দিন | ১৮ মার্চ ২০২৬ — দুপুরে (অমাবস্যা তিথি চলমান থাকায়) |
| স্নান ও দানের দিন | ১৯ মার্চ ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) |
| বাংলা তারিখ | চৈত্র মাস, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |
| তথ্যসূত্র | দৃক পঞ্চাঙ্গ ও অ্যাস্ট্রোসেজ (BST-তে রূপান্তরিত) |
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ নোট: হিন্দু ধর্মে উদয়তিথি (সূর্যোদয়ের সময় যে তিথি থাকে) অনুযায়ী পালনের দিন নির্ধারিত হয়। ১৮ মার্চ ভোর থেকে ১৯ মার্চ সকাল পর্যন্ত অমাবস্যা থাকলেও, ১৯ মার্চ ভোরে অমাবস্যা সক্রিয় থাকায় মূল পালনের দিন ১৯ মার্চ।
চৈত্র অমাবস্যার ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক তাৎপর্য
চৈত্র অমাবস্যাকে শুধু একটি তিথি হিসেবে না দেখে একটি আধ্যাত্মিক সুযোগ হিসেবে দেখা উচিত। এই দিনের তাৎপর্যকে তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়:
১. পিতৃপুরুষের প্রতি শ্রদ্ধার দিন
গরুড় পুরাণসহ বিভিন্ন শাস্ত্রে উল্লেখ আছে যে অমাবস্যার দিনে পূর্বপুরুষদের আত্মা পৃথিবীর কাছাকাছি আসে। এই বিশ্বাস থেকেই অমাবস্যায় পিতৃতর্পণ ও শ্রাদ্ধের প্রচলন। যারা এই দিনে তাদের পিতৃপুরুষকে স্মরণ করে তর্পণ দেন, তারা পূর্বপুরুষদের কৃপা পান এবং পরিবারে সুখ-শান্তি আসে বলে বিশ্বাস করা হয়।
২. নতুন হিন্দু বছরের প্রবেশদ্বার
চৈত্র মাস হলো হিন্দু বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস। এই মাসের অমাবস্যা মানে পুরনো বছরের শেষ অন্ধকার রাত। এর ঠিক পরেই শুরু হয় চৈত্র নবরাত্রি এবং হিন্দু নববর্ষ। তাই অনেকেই এই দিনটিকে পুরনো বছরের ভুল-ত্রুটির প্রায়শ্চিত্ত ও আত্মশুদ্ধির সেরা সময় হিসেবে দেখেন।
৩. শনি ও পিতৃ দোষ নিবারণের সুযোগ
জ্যোতিষশাস্ত্রে অমাবস্যার দিনে সূর্য ও চন্দ্র একই রাশিতে অবস্থান করে। এই সময় শনিদেবের পূজা করলে জীবনের বিভিন্ন বাধাবিঘ্ন দূর হয় বলে বিশ্বাস। পাশাপাশি যাদের কুষ্ঠীতে পিতৃ দোষ বা কাল সর্প দোষ আছে বলে মনে করা হয়, তারা এই দিনে বিশেষ পূজা-অর্চনা করেন।
চৈত্র অমাবস্যায় কী কী করবেন
বাংলাদেশের সনাতনী পরিবারগুলো সাধারণত নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করেন:
সকালের আচার (১৯ মার্চ, ভোরবেলা)
- ব্রহ্মমুহূর্তে (ভোর ৪:৩০ — ৬:০০টার মধ্যে) ঘুম থেকে উঠুন।
- সম্ভব হলে কাছের নদী, খাল বা পুকুরে স্নান করুন। না পারলে বাড়িতেই ভালোভাবে স্নান করুন।
- স্নানের পর পরিষ্কার কাপড় পরুন এবং সূর্য দেবতাকে তামার পাত্রে জল, লাল ফুল ও চাল মিশিয়ে অর্ঘ্য দিন।
- দক্ষিণমুখী হয়ে (কারণ দক্ষিণ দিক পিতৃলোকের দিক) কালো তিল, কুশা ঘাস ও জল দিয়ে পিতৃতর্পণ করুন।
দুপুরের আচার (১৮ মার্চ বিকেল — পিতৃতর্পণের বিকল্প সময়)
- ১৮ মার্চ দুপুরে যখন অমাবস্যা তিথি চলমান থাকবে, তখনই পিতৃ তর্পণ করা সবচেয়ে শাস্ত্রসম্মত।
- পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের নাম স্মরণ করে জলদান করুন।
সন্ধ্যার আচার
- সন্ধ্যায় পিপল গাছের নিচে সরিষার তেলের প্রদীপ জ্বালান।
- শনিদেবকে কালো তিল, নীল ফুল ও তেল অর্পণ করুন।
- ভগবান বিষ্ণুর পূজা করুন এবং বিষ্ণু সহস্রনাম বা গীতা পাঠ করুন।
দান ও সেবা
এই দিনে দান করা অত্যন্ত পুণ্যের কাজ। কী কী দান করতে পারেন:
- অসহায় ও দরিদ্র মানুষদের খাবার (অন্নদান)
- চাল, ডাল, কালো তিল ও কাপড় দান
- ব্রাহ্মণ বা পুরোহিতকে দক্ষিণা
- পাখি বা পশুদের খাবার দেওয়া
চৈত্র অমাবস্যায় কী কী করবেন না
শাস্ত্রীয় বিধি অনুযায়ী এই দিনে কিছু কাজ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়:
- আমিষ খাবার ও মদ্যপান থেকে বিরত থাকুন
- ঝগড়া-বিবাদ ও কটু কথা পরিহার করুন
- নতুন ব্যবসা বা শুভকাজ শুরু করবেন না (তবে এ বিষয়ে পণ্ডিতের মত ভিন্ন হতে পারে)
- কাউকে ধার-কর্জ দেওয়া বা নেওয়া এড়িয়ে চলুন
- গাছ কাটা বা উপড়ে ফেলা শুভ নয়
আগামী বছরগুলোতে চৈত্র অমাবস্যার তারিখ
ভবিষ্যতের পরিকল্পনার জন্য নিচের তালিকা কাজে আসবে:
| বছর | তারিখ (ইংরেজি) | বার | বিশেষত্ব |
| ২০২৫ | ২৯ মার্চ ২০২৫ | শনিবার | শনি অমাবস্যা |
| ২০২৬ | ১৯ মার্চ ২০২৬ | বৃহস্পতিবার | উদয়তিথি |
| ২০২৭ | মার্চ-এপ্রিল ২০২৭ | পঞ্জিকা অনুযায়ী | — |
চাঁদ কেন দেখা যায় না?
অনেকেই জানতে চান অমাবস্যার সময় আসলে কী ঘটে। সহজ ভাষায় বলতে গেলে:
- পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরে এবং চাঁদ পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘোরে।
- অমাবস্যার দিন চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য প্রায় একই সরলরেখায় থাকে এবং চাঁদ সূর্যের একই পাশে অবস্থান করে।
- এই অবস্থায় সূর্যের আলো চাঁদের যে অংশ পৃথিবী থেকে দেখা যায় সে অংশে পড়ে না।
- ফলে আকাশ থেকে চাঁদকে দেখা যায় না বা খুব কম দেখা যায়।
বিজ্ঞান বলছে, অমাবস্যার রাতে সামুদ্রিক জোয়ার-ভাটা সবচেয়ে বেশি হয়। পূর্ণিমার মতো অমাবস্যাতেও সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবীর মধ্যাকর্ষণ বল মিলিত হয়ে সমুদ্রে শক্তিশালী জোয়ার তৈরি করে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে চাঁদের পর্যায়ক্রম মানসিক অবস্থা ও ঘুমের উপর প্রভাব ফেলে, তবে এ নিয়ে গবেষণা এখনো চলমান।
বাংলাদেশে চৈত্র অমাবস্যা কীভাবে পালিত হয়?
বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে এই দিনটির নিজস্ব একটা সাংস্কৃতিক রূপ আছে। ঢাকার ঢাকেশ্বরী মন্দির, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড চন্দ্রনাথ ধাম, সিলেটের মাজার ও মন্দির সহ সারাদেশে হাজার হাজার ভক্ত এই দিনটিতে বিশেষ পূজায় অংশ নেন।
- সীতাকুণ্ড চন্দ্রনাথ ধামে অমাবস্যার দিন বিশেষ পূজা ও পুণ্যস্নানের আয়োজন থাকে।
- ব্রহ্মপুত্র, মেঘনা, পদ্মা ও যমুনার তীরে অনেকে ভোরবেলা স্নান করতে যান।
- শহরে বসবাসকারীরা ঘরেই বিশেষ পূজার আয়োজন করেন।
- পরিবারের বয়স্ক সদস্যরা প্রয়াত পরিজনদের স্মরণে বিশেষ ভোগ রান্না করেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন: চৈত্র অমাবস্যা কবে ২০২৬?
উত্তর: ২০২৬ সালের চৈত্র অমাবস্যার মূল পালনের দিন ১৯ মার্চ ২০২৬ (বৃহস্পতিবার)। তিথি শুরু হয়েছে ১৮ মার্চ সকাল ৮:৫৫ মিনিটে এবং শেষ হয়েছে ১৯ মার্চ সকাল ৭:২২ মিনিটে (BST)।
প্রশ্ন: চৈত্র মাসের অমাবস্যা কবে ২০২৬?
উত্তর: বাংলা চৈত্র মাস (১৪৩২ বঙ্গাব্দ) এবং ইংরেজি মার্চ মাসের অমাবস্যা একই — ১৯ মার্চ ২০২৬।
প্রশ্ন: মার্চ মাসের অমাবস্যা কবে ২০২৬?
উত্তর: মার্চ ২০২৬ এর অমাবস্যা হলো চৈত্র অমাবস্যা। পালনের দিন ১৯ মার্চ ২০২৬।
প্রশ্ন: অমাবস্যার দিন কী খাওয়া উচিত নয়?
উত্তর: অমাবস্যার দিনে মাংস, মাছ ও অন্যান্য আমিষ খাবার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়। ফল, দুধ ও সাত্ত্বিক খাবার খাওয়া শ্রেয়।
প্রশ্ন: চৈত্র অমাবস্যায় কী দান করা উচিত?
উত্তর: চাল, ডাল, কালো তিল, কাপড় ও টাকা দান করা শুভ। অন্নদান সবচেয়ে পুণ্যের কাজ বলে শাস্ত্রে উল্লেখ আছে।
প্রশ্ন: পিতৃতর্পণ কীভাবে করতে হয়?
উত্তর: দক্ষিণ দিকে মুখ করে (পিতৃলোকের দিক), কালো তিল ও কুশা ঘাস মিশ্রিত জল হাতে নিয়ে প্রয়াত পূর্বপুরুষের নাম স্মরণ করে জলদান করতে হয়। পরিবারের পুরোহিত বা প্রবীণদের সাহায্যে এটি করা ভালো।
প্রশ্ন: অমাবস্যা ও পূর্ণিমার পার্থক্য কী?
উত্তর: অমাবস্যায় চাঁদ দেখা যায় না কারণ চাঁদ সূর্যের একই পাশে থাকে। পূর্ণিমায় চাঁদ পৃথিবীর বিপরীত দিকে থাকায় পুরো চাঁদ দেখা যায়। দুটোই হিন্দু ধর্মে পবিত্র দিন।
প্রশ্ন: চৈত্র অমাবস্যায় উপবাস করা কি জরুরি?
উত্তর: উপবাস করা বাধ্যতামূলক নয়, তবে শাস্ত্র অনুযায়ী এই দিনে উপবাস রাখলে বিশেষ ফল পাওয়া যায় বলে বিশ্বাস। যারা স্বাস্থ্যগত কারণে উপবাস রাখতে পারেন না, তারা ফলাহার করতে পারেন।
প্রশ্ন: চৈত্র অমাবস্যার পর কী শুরু হয়?
উত্তর: চৈত্র অমাবস্যার পর চৈত্র নবরাত্রি শুরু হয় এবং তারপর আসে হিন্দু নববর্ষ (চৈত্র শুক্লপক্ষ প্রতিপদ থেকে)। বাংলায় বৈশাখী নববর্ষও কিছুদিনের মধ্যেই পড়ে।
প্রশ্ন: অমাবস্যা তালিকা ২০২৬ বাংলাদেশ — কবে কবে অমাবস্যা?
উত্তর: ২০২৬ সালের উল্লেখযোগ্য অমাবস্যা: মার্চ ১৯ (চৈত্র), এপ্রিল ১৭ (বৈশাখ), মে ১৭ (জ্যেষ্ঠ)। সম্পূর্ণ তালিকার জন্য দৃক পঞ্চাঙ্গ ওয়েবসাইট দেখুন।
চৈত্র অমাবস্যা ও চৈত্র নবরাত্রির সম্পর্ক
চৈত্র অমাবস্যার পরদিন থেকে চৈত্র শুক্লপক্ষ শুরু হয়, যা চৈত্র নবরাত্রির সূচনা করে। নবরাত্রিতে নয় দিন ধরে দুর্গার নয়টি রূপের পূজা হয়। তাই চৈত্র অমাবস্যা একটি বড় উৎসব-চক্রের মুখবন্ধ হিসেবেও বিবেচিত।
অমাবস্যা ও শ্রাদ্ধের সম্পর্ক
শ্রাদ্ধ মানে পূর্বপুরুষের উদ্দেশ্যে করা বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠান। প্রতি মাসের অমাবস্যায় মাসিক শ্রাদ্ধ পালনের বিধান আছে। বিশেষ করে মহালয়া অমাবস্যা (আশ্বিন মাসে) এবং চৈত্র অমাবস্যা শ্রাদ্ধের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।
চৈত্র অমাবস্যা ও পুণ্যস্নানের গুরুত্ব
হিন্দু বিশ্বাস অনুযায়ী অমাবস্যায় পবিত্র নদী বা জলাশয়ে স্নান করলে পাপমুক্তি ঘটে এবং মন ও শরীর শুদ্ধ হয়। বাংলাদেশে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্রের তীরে অনেকেই ভোরবেলা পুণ্যস্নানে যান।
বিশ্বাসযোগ্য সূত্রসমূহ:
(১) দৃক পঞ্চাঙ্গ (drikpanchang.com) — বৈদিক পঞ্জিকার আন্তর্জাতিক মানদণ্ড;
(২) অ্যাস্ট্রোসেজ (astrosage.com) — হিন্দু জ্যোতিষ ও পঞ্জিকার জনপ্রিয় উৎস;
(৩) গরুড় পুরাণ — পিতৃপক্ষ ও তর্পণ সম্পর্কিত শাস্ত্রীয় গ্রন্থ।
📢 এই আর্টিকেলটি যদি আপনার কাজে লেগে থাকে, তাহলে আপনার পরিবার ও বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন যাতে তারাও সঠিক সময়ে সঠিক তথ্য পান।
আমি একজন জার্নালিস্ট। আমি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জার্নালিজমে স্নাতক পাশ করেছি। বর্তমানে জাতীয় পত্রিকায় ফুল টাইম কাজ করছি। পাশাপাশি আমার নিজের নিউজ পোর্টাল BDTOPNEWS এ সময় দেই।