ঢাকা-৯ সংসদীয় আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। শনিবার (৩ জানুয়ারি ২০২৬) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা এই সিদ্ধান্ত জানান। মূলত সমর্থকদের স্বাক্ষরে অসামঞ্জস্যতা থাকায় তার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে।
এক নজরে মূল তথ্য:
- প্রার্থীর নাম: ডা. তাসনিম জারা (স্বতন্ত্র)।
- আসন: ঢাকা-৯ (খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদা)।
- বাতিলের কারণ: সমর্থকদের ১ শতাংশ স্বাক্ষরের মধ্যে ২ জন ভোটার ওই আসনের না হওয়া।
- পরবর্তী পদক্ষেপ: সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
- পেশা: চিকিৎসক ও জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর।
কেন বাতিল হলো তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র?
নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী, কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থীকে ওই আসনের মোট ভোটারের অন্তত ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর জমা দিতে হয়। ডা. তাসনিম জারা প্রয়োজনীয় সংখ্যার চেয়ে বেশি স্বাক্ষর জমা দিয়েছিলেন।
তবে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আজমল হোসেন জানান, দৈবচয়ন ভিত্তিতে ১০ জন ভোটারের স্বাক্ষর যাচাই করা হলে দেখা যায়, এর মধ্যে ২ জন ঢাকা-৯ আসনের ভোটার নন। একজনের ভোটার এলাকা ছিল পার্শ্ববর্তী ঢাকা-১১ এবং অন্যজন শরীয়তপুরের ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত। এই আইনি ত্রুটির কারণেই তার মনোনয়নপত্রটি বাতিল করা হয়।
তাসনিম জারার প্রতিক্রিয়া ও আপিলের ঘোষণা
মনোনয়নপত্র বাতিলের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক ভিডিও বার্তায় ডা. তাসনিম জারা বলেন:
“আমরা ১ শতাংশ ভোটারের যে স্বাক্ষর জমা দিয়েছি, তাতে দুইজন ভোটারের এলাকা নিয়ে নির্বাচন কমিশন প্রশ্ন তুলেছে। একজন জানতেন তিনি খিলগাঁওয়ের ভোটার, কিন্তু রেকর্ড অনুযায়ী তিনি ঢাকা-১১ এর। আমরা ইতিমধ্যে আপিল করার প্রক্রিয়া শুরু করেছি এবং আশা করছি ন্যায়বিচার পাব।”
রাজনীতিতে তাসনিম জারার অভিষেক
ডা. তাসনিম জারা আগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ছিলেন। তবে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে দলটির নির্বাচনী জোট গঠন নিয়ে মতপার্থক্যের জেরে তিনি পদত্যাগ করেন এবং ঢাকা-৯ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়াই করার ঘোষণা দেন।
আমি একজন জার্নালিস্ট। আমি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জার্নালিজমে স্নাতক পাশ করেছি। বর্তমানে জাতীয় পত্রিকায় ফুল টাইম কাজ করছি। পাশাপাশি আমার নিজের নিউজ পোর্টাল BDTOPNEWS এ সময় দেই।